संदेश

Kalapani jail

चित्र
  কালাপানি ::সমুদ্রের ওপারে নির্বাসনের অন্ধকার ইতিহাস ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এমন কিছু অধ্যায় আছে, যেগুলো শুধু ইতিহাস নয় মানব সহ্যশক্তির সীমার পরীক্ষা।যেমন “কালাপানি” সেইরকমই এক অধ্যায়।একটি শব্দ, যার মধ্যে লুকিয়ে আছে ভয়, যন্ত্রণা, বিচ্ছিন্নতা আর অদম্য সাহসের গল্প।“কালাপানি”শব্দটির আক্ষরিক অর্থ ‘কালো জল’। কিন্তু ব্রিটিশ শাসনামলে এই শব্দের অর্থ ছিল আরও গভীর। এটি ছিল এমন এক শাস্তি, যা মানুষকে শুধু কারাগারে বন্দি করত না, বরং তাকে তার দেশ, সমাজ, পরিবার সবকিছু থেকে ছিন্ন করে দিত। এই শাস্তির গন্তব্য ছিল বঙ্গোপসাগরের মাঝখানে অবস্থিত দূরবর্তী দ্বীপপুঞ্জ আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ।আজকের দিনে এটি একটি পর্যটনকেন্দ্র হলেও, একসময় এটি ছিল মৃত্যুর থেকেও ভয়ংকর এক নির্বাসনভূমি।                       বিদ্রোহ থেকে দমননীতি ১৮৫৭ সালে যখন সিপাহী বিদ্রোহ ঘটে, তখন ব্রিটিশ শাসকরা প্রথমবার উপলব্ধি করে যে ভারতীয়দের মধ্যে স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা কতটা প্রবল।এই বিদ্রোহ দমন করার পর তারা সিদ্ধান্ত নেয় বিদ্রোহীদের শুধু শাস্তি দিলেই হবে না, তাদের এমনভা...

Dwarka নগরীর রহস্য

चित्र
                  সত্যিই কি কৃষ্ণের শহর সমুদ্রের নিচে? ভারতের গুজরাট উপকূলের কাছে আরব সাগরের গভীরে লুকিয়ে আছে এক রহস্যময় শহর Dwarka। হাজার বছর ধরে এই শহরকে শুধুই পুরাণ বলে মনে করা হত, কিন্তু ২০শ শতাব্দীর শেষের দিকে এই ধারণা বদলাতে শুরু করে।Dwarka নিয়ে আধুনিক বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান শুরু হয় ১৯৬০-এর দশকে। কিন্তু বড় মোড় আসে ১৯৮০-এর দশকে, যখন ভারতের National Institute of Oceanography সমুদ্রের নিচে সরাসরি অনুসন্ধান শুরু করে।এই গবেষণার নেতৃত্ব দেন প্রখ্যাত সামুদ্রিক প্রত্নতত্ত্ববিদ S. R. Rao। তিনিই প্রথম জোর দিয়ে বলেন—Dwarka শুধুই পুরাণ নয়, এর বাস্তব অস্তিত্ব থাকতে পারে। Dwarka নগরী কিন্তু কিভাবে খোঁজা হয়েছিল? এত বড় সমুদ্রের নিচে এত জলের মধ্যে এটি খোঁজা এতটা সহজ ছিল না কিন্তু ডুবুরি দল, সোনার খোঁজার প্রযুক্তি (sonar scanning) এবং আন্ডারওয়াটার ক্যামেরা ব্যবহার করে সমুদ্রতল স্ক্যান করা হয়। ধীরে ধীরে সমুদ্রের নিচে দেখা যেতে থাকে অদ্ভুত সব গঠন পাথরের দেয়াল,গ্রিডের মতো রাস্তার বিন্যাস,বড় বড় কাঠামো, যা শহরের অংশ হতে পারে এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর...

Asha Bhosle Jeevan kahani

चित्र
Asha Bhosle আশা ভোঁসলে তিনি এখন আর আমাদের মধ্যে নেই, কিন্তু তিনি চলে যাবার পরেও আমাদের জন্য রেখে গেছেন অজস্র গান ও স্মৃতি তিনি আজ সশরীরে আমাদের মধ্যে না থাকলেও তিনি তার রেখে যাওয়া গানের মধ্যে দিয়ে আমাদের মধ্যে আজীবন বেঁচে আছেন। ভারতের সঙ্গীত ইতিহাসে এমন কিছু কণ্ঠ আছে, যেগুলো শুধু গান নয় একটা যুগকে বহন করে। সেই রকমই এক অমর কণ্ঠের নাম Asha Bhosle। যিনি তাঁর কণ্ঠের বৈচিত্র্য, আবেগ আর শক্তির মাধ্যমে সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে শ্রোতাদের মুগ্ধ করে রেখেছেন। ১৯৩৩ সালের ৮ই সেপ্টেম্বর, মহারাষ্ট্রের সাংলি শহরে জন্মগ্রহণ করেন আশা ভোঁসলে। তাঁর বাবা Deenanath Mangeshkar ছিলেন একজন বিখ্যাত শাস্ত্রীয় গায়ক ও নাট্যব্যক্তিত্ব। ফলে ছোটবেলা থেকেই সঙ্গীত ছিল তাঁর জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আশার বড় বোন Lata Mangeshkar তখন ধীরে ধীরে সঙ্গীত জগতে নিজের অবস্থান তৈরি করছেন। কিন্তু ভাগ্যের নির্মমতা খুব দ্রুতই সামনে আসে। মাত্র ৯ বছর বয়সে বাবার মৃত্যু হলে পুরো পরিবারের দায়িত্ব এসে পড়ে তাঁদের কাঁধে। এই কঠিন পরিস্থিতিতে, গানই হয়ে ওঠে জীবনের একমাত্র ভরসা। খুব অল্প বয়সেই আশা গান গাওয়া শুরু করেন—প্রথমে মারাঠি চলচ্চ...

“অপারেশন শক্তি:” pokhran-2

चित्र
  ১৯৯৮ সালের দিল্লি। গরমে শহর জ্বলছে, কিন্তু দেশের ভেতরে আরেক ধরনের উত্তাপ তৈরি হচ্ছে যা কেউ দেখতে পাচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের এক নীরব কক্ষে বসে আছেন অটল বিহারী বাজপেয়ী। তিনি তখন সবে নতুন প্রধানমন্ত্রী পদে বসেছেন,তাঁর সামনে দুজন মানুষ কিন্তু খুবই বিশ্বস্ত তারা হলো ভারতের দুই সফল ও বড় বিজ্ঞানী এ. পি. জে. আবদুল কালাম এবং রাজগোপাল চিদাম্বরম।ঘরের ভেতরে আলো কম বাইরের পৃথিবী যেন এই মুহূর্তে অস্তিত্বহীন। Atal Bihari Vajpayee এবং APJ Abdul Kalam ও rajgopal Chidambaram বাজপেয়ী ধীরে বললেন,“আমরা অনেকদিন অপেক্ষা করেছি… এখন সময় এসেছে।কালাম কিছুক্ষণ চুপ থেকে উত্তর দিলেন, “স্যার, আমরা প্রস্তুত। কিন্তু এই কাজটা যদি ধরা পড়ে…” বাজপেয়ীর ঠোঁটে হালকা হাসি,“তাহলে ইতিহাস আমাদের ক্ষমা করবে না। তাই আমাদের ভুল করা চলবে না।”ঘরের ভেতর নীরবতা। কিন্তু সেই নীরবতার মধ্যেই জন্ম নিল এক অপারেশন Pokhran-II. রাজস্থানের পোখরান মরুভূমি। দিনের বেলা এখানে শুধু গরম হাওয়া আর বালির ঢেউ। কিন্তু রাত নামলেই বদলে যায় সবকিছু।চাঁদের আলোয় কিছু ট্রাক নিঃশব্দে ঢুকে পড়ে। নামেন কিছু মানুষ তাদের কেউই সাধারণ বিজ্ঞানীর মত...

কলকাতার ইডেন গার্ডেন্স

चित्र
ভাবো তো, এমন একটা জায়গা…যেখানে হাজার হাজার মানুষ একসাথে চিৎকার করে,যেখানে প্রতিটি বল, প্রতিটি রান ইতিহাস হয়ে যায়…হ্যাঁ,এটাই হল আজকের Eden Gardens স্টেডিয়াম ভারতের সবচেয়ে বিখ্যাত ক্রিকেট স্টেডিয়ামগুলোর মধ্যে একটি,যাকে বলা হয়—ভারতীয় ক্রিকেটের হৃদয়। তুমি কি জানো Eden gardens এর আসল ইতিহাস,এটি কবে সৃষ্টি হয়েছিল এবং এখানে প্রথম ম্যাচ কবে হয়েছিল,তো চলো এই IPL মৌসুমে জেনে নিয়ে যাক Eden gardens সৃষ্টির আসল ইতিহাস। কিন্তু এই স্টেডিয়ামটা হঠাৎ করে তৈরি হয়নি এর পেছনে আছে ব্রিটিশ আমলের ইতিহাস,রাজনীতি, সংস্কৃতি আর এক অদ্ভুত গল্প। আজ আমরা জানবো— ১)ইডেন গার্ডেন্স কিভাবে তৈরি হল ২)“Eden” নামটা কোথা থেকে এল ৩) প্রথম ম্যাচ কবে হয়েছিল ৪) আর এই স্টেডিয়ামের আসল ইতিহাস                       ব্রিটিশ আমলের কলকাতা ১৮০০ সালের মাঝামাঝি সময় তখন Kolkata ছিল ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী।এখানেই বসবাস করত ব্রিটিশ অফিসার, সৈন্য, এবং অভিজাত সমাজ।তাদের জীবনযাপনের একটি বড় অংশ ছিল—খেলাধুলা।আর সেই...

ভারতে ফুটবলের আগমন

चित्र
  ভারতে ফুটবল কিভাবে এলো তার অজানা ইতিহাস তুমি কি জানো এই তথ্যগুলি?  ভারতে ফুটবল আসে মূলত ব্রিটিশদের মাধ্যমে। উনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে ব্রিটিশ সেনাবাহিনী ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা যখন ভারতে বসবাস শুরু করেন, তখন তারা নিজেদের বিনোদনের জন্য ফুটবল খেলতে শুরু করেন। বিশেষ করে কলকাতা (তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী) ছিল এই খেলার কেন্দ্রস্থল।প্রথমদিকে ফুটবল ছিল শুধুমাত্র ব্রিটিশ সৈনিক ও অফিসারদের খেলা। তারা ক্লাব গঠন করে নিজেদের মধ্যে ম্যাচ খেলত। কলকাতার ময়দান অঞ্চলে এই খেলার প্রচলন শুরু হয়। ধীরে ধীরে ভারতীয়রাও এই খেলায় আগ্রহী হয়ে ওঠে এবং ব্রিটিশদের অনুকরণে ফুটবল খেলা শুরু করে। ভারতের প্রথম ফুটবল খেলা ভারতে প্রথম সংগঠিত ফুটবল ম্যাচ হয় ১৮৫৪ সালে কলকাতায়। যদিও এই ম্যাচে অংশগ্রহণ করেছিল মূলত ব্রিটিশরাই, কিন্তু এটিই ছিল ভারতে ফুটবলের আনুষ্ঠানিক সূচনা।এরপর ১৮৭২ সালে “ক্যালকাটা ফুটবল ক্লাব” প্রতিষ্ঠিত হয়, যা ছিল ভারতের প্রথম ফুটবল ক্লাব। এই ক্লাব সম্পূর্ণভাবে ব্রিটিশদের দ্বারা পরিচালিত ছিল। তবে কিছুদিন পর ভারতীয়রাও নিজেদের ক্লাব গঠন...

North Sentinel Island

चित्र
                      নিষিদ্ধ দ্বীপের সত্য কাহিনী ভারতের আন্দামান সাগরের গভীরে, সভ্যতার কোলাহল থেকে বহু দূরে লুকিয়ে আছে একটি ছোট্ট সবুজ দ্বীপ  North Sentinel Island।মানচিত্রে এটি হয়তো সাধারণ, কিন্তু বাস্তবে এটি পৃথিবীর সবচেয়ে রহস্যময় এবং সুরক্ষিত জায়গাগুলোর একটি।এই দ্বীপে বসবাস করে Sentinelese উপজাতি—যাদের সম্পর্কে পৃথিবী খুব কমই জানে। North Sentinel Island ধারণা করা হয়, তারা প্রায় ৫০,০০০ থেকে ৬০,০০০ বছর ধরে বাইরের পৃথিবী থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন।এই বিচ্ছিন্নতা কেবল ভৌগোলিক না এটা সময়েরও বিচ্ছিন্নতা।যেখানে পৃথিবী এগিয়ে গেছে প্রযুক্তি, শহর, আর ইন্টারনেটের যুগে সেখানে Sentinelese মানুষরা এখনো জঙ্গল, সমুদ্র আর শিকারের ওপর নির্ভর করে বেঁচে আছে।তাদের কোনো কৃষি ব্যবস্থা নেই, কোনো স্থায়ী স্থাপত্য নেই, কোনো আধুনিক যন্ত্রপাতি নেই।তাদের অস্ত্র তীর-ধনুক।তাদের খাবার—মাছ, কচ্ছপ, বন্য ফল। কিন্তু তবুও তারা অসহায় না।সমুদ্রের ঢেউ অনেক সময় দূরের জাহাজ ভেঙে তার টুকরো এনে ফেলে এই দ্বীপে।Sentinelese মানুষরা সেই ভাঙা লোহার অংশ সংগ্রহ করে নিজেদের অস্ত...